Class 10 History (ইতিহাস) Model Activity Task Part 7 October 2021 Answer With Pdf

মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক PART 7, OCTOBER 2021

CLASS-10, দশম শ্রেণি

বিষয়ঃ  ইতিহাস


 

১. ‘ক’ স্তম্ভের সাথে ‘খ’ স্তম্ভ মেলাও :

উত্তরঃ

ক – স্তম্ভখ – স্তম্ভ
১.১ ক্যালকাটা স্কুল বুক সােসাইটিখ) ১৮১৭ খ্রি:
১.২ কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ঘ) ১৮৫৭ খ্রি:
১.৩ এশিয়াটিক সােসাইটিক) ১৭৮৪ খ্রি:
১.৪ বসু বিজ্ঞান মন্দিরগ) ১৯১৭ খ্রি:

 

২. সঠিক তথ্য দিয়ে নীচের ছকটি পূরণ করাে :

উত্তরঃ

প্রতিষ্ঠাতাপ্রতিষ্ঠানপ্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য (একটি বাক্যে)
বেঙ্গল টেকনিকাল ইন্সটিটিউট তারকনাথ পালিতবাংলার শিক্ষিত যুবকদের কারিগরি বিদ্যায় শিক্ষিত করে স্বনির্ভর ও স্বাবলম্বী করে তােলা।
বসু বিজ্ঞান মন্দিরস্যার জগদীশ চন্দ্র বসুবিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখায় মৌলিক গবেষণার উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়।
ইন্ডিয়ান অ্যাসােসিয়েশন ফর দ্য কাল্টিভেশন অব সায়েন্সমহেন্দ্রলাল সরকারপদার্থ ও রসায়ন বিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখায় মৌলিক গবেষণা এবং বিজ্ঞান বিষয়ক বক্তৃতার আয়ােজনের জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়।
জাতীয় শিক্ষা পরিষদসত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুরজাতীয় আদর্শ অনুসারে সাহিত্য, বিজ্ঞান ও কারিগরি শিক্ষা দান করা এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে দেশ সেবার মনােভাব জাগিয়ে তােলা।

 

৩. দুটি বা তিনটি বাক্যে উত্তর দাও :

 

৩.১ উপেন্দ্রকিশাের রায়চৌধুরী কেন স্মরণীয়?

উত্তরঃ বাংলার মুদ্রণ শিল্পের ইতিহাসে উল্লেখযােগ্য নাম হল উপেন্দ্রকিশাের রায়চৌধুরী।

‘ইউ এন রায় এন্ড সন্স’এর প্রতিষ্ঠাতা:- তিনি বিদেশ থেকে আধুনিক মুদ্রণ যন্ত্র এনে ১৮৮৫ খ্রিস্টাব্দে কলকাতার শিবনারায়ণ দাস লেনে ‘ইউ এন রায় এন্ড কোং’ নামে একটি ছাপাখানা প্রতিষ্ঠা করেন। ১৮৯৫ খ্রিস্টাব্দে এর নামকরণ হয় ‘ইউ এন রায় এন্ড সন্স’।

‘হাফটোন ব্লক প্রিন্টিং’:- উপেন্দ্রকিশাের রায়চৌধুরী উন্নত মানের ছবি ছাপা কৌশল উদ্ভাবন করেন এবং ‘হাফটোন ব্লক প্রিন্টিং’ নিয়ে গবেষণা করেন যা ভারতে প্রথম। সাদাকালাের যুগে তিনি সন্দেশ পত্রিকা প্রকাশ করে তাতে রঙিন ছবি ছাপতে শুরু করেন যা তখন এশিয়াতে প্রথম।

 

৩.২ কাকে ‘বাংলা মুদ্রণশিল্পের জনক বলা হয় এবং কেন? 

উত্তরঃ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কর্মকর্তা চার্লস উইলকিনসকে ‘বাংলা মুদ্রণ শিল্পের জনক’ বলা হয়। চার্লস উইলকিনসন ১৭৭৮ খ্রিষ্টাব্দে হুগলির চুঁচুড়ায় একটি ছাপাখানা প্রতিষ্ঠা করেন এবং সর্বপ্রথম বাংলা অক্ষরের টাইপ বা নকশা তৈরি করেন। | তাই তাকে বাংলা মুদ্রণ শিল্পের জনক বলা হয়।

 

৪. সাত-আটটি বাক্যে উত্তর দাও :

ছাপাবই-এর সাথে শিক্ষাবিস্তারের সম্পর্ক আলােচনা কর।

উত্তরঃ ছাপাবই-এর সঙ্গে শিক্ষাবিস্তারের সম্পর্ক: > ভারত তথা বাংলায় সামাজিক ও সাংস্কৃতিক জাগরণ, সর্বোপরি গণশিক্ষার প্রসারে ছাপাখানা ও ছাপাবই-এর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।

  • বই-এর বিশাল চাহিদার জোগান দেওয়া তখনই সম্ভব হয়, যখন তা ছাপানাের জন্য যথেষ্ট সংখ্যক ছাপাখানা প্রস্তুত থাকে, আবার। গণশিক্ষার প্রসার না ঘটলে ছাপাখানা তথা ছাপাবই-এর কোনাে কদরই থাকে না।
  • উইলিয়াম কেরি ১৮০০ খ্রিস্টাব্দে শ্রীরামপুর মিশন প্রেস প্রতিষ্ঠা করলে শিক্ষাবিস্তারের ক্ষেত্রে যুগান্তকারী ঘটনা ঘটে। মিশন প্রেস থেকে সুলভে ছেপে বেরােয় অসংখ্য পাঠ্যপুস্তক। সুলভে বা বিনামূল্যে শিক্ষার্থীদের হাতে পাঠ্যপুস্তক তুলে দেওয়ার উদ্দেশ্যে ১৮১৭ খ্রিস্টাব্দে গড়ে ওঠে স্কুল বুক সােসাইটি। ‘দিগদর্শন’, ‘সমাচার দর্পণ’, ‘সম্বাদ কৌমুদী’, সমাচার চন্দ্রিকা’, সংবাদ প্রভাকর’ প্রভৃতি অসংখ্য পত্র-পত্রিকা এখান থেকে প্রকাশিত হয়ে গণশিক্ষার ধারাকে বেগবতী করেছিল।
  • ছাপাখানা শিশুশিক্ষার অগ্রগতি ও প্রসার ঘটায়, প্রকাশিত হয় মদনমােহন তর্কালংকারের ‘শিশুশিক্ষা’, বিদ্যাসাগরের ‘বর্ণপরিচয়’, রামসুন্দর বসাকের ‘বাল্যশিক্ষা’ প্রভৃতি।
  • ছাপাখানায় মাতৃভাষায় প্রকাশিত হতে থাকে পঞ্জিকা, আইন, ধর্ম, নীতিকথা, ইতিহাস, কৃষিকাজ, সংগীত, চিকিৎসা প্রভৃতি বিষয়ের বই—যার ফলে উচ্চশিক্ষার দরজা খুলে যেতে থাকে শিক্ষার্থীদের সামনে।
  • এইভাবে মধ্য-অষ্টাদশ, উনবিংশ শতকে ছাপাখানার প্রতিষ্ঠা ও প্রসার বহুমাত্রিক অভিধায় বাংলাকে প্রাণচঞ্চল করে তুলেছিল। আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে বাঙালি তথা ভারতবাসী পৌছে গিয়েছিল নবজাগরণের দোরগােড়ায়।

 

 

Note: এই আর্টিকেলের ব্যাপারে তোমার মতামত জানাতে নীচে দেওয়া কমেন্ট বক্সে গিয়ে কমেন্ট করতে পারো। ধন্যবাদ।

Leave a Comment